Your cart is empty, and it looks like you haven’t added anything yet.
অপ্রত্যাশিত গর্ভবতী হওয়াটা কারো কাছেই কাম্য নয়। কী কী কনট্রাশেপশন অপশন আছে তা সব মহিলাদের জানা উচিত। আজকে আমরা গর্ভনিরোধের কিছু সহজ উপায় বলে দিচ্ছি। কিন্তু এগুলো ব্যবহার করার আগে অবশ্যই ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে নিন।
সব থেকে সহজেই পাওয়া যায় বলে জন্মনিয়ন্ত্রণের এটা সব থেকে জনপ্রিয় মাধ্যম। কনডম শুক্রাণুকে ইউটেরাসে প্রবেশ করতে দেয় না। আর যেহেতু এটা পুরুষরা ব্যবহার করে থাকেন তাই মহিলাদের ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শও করতে হয় না এই ব্যাপারে। কনডম বিভিন্ন sexually transmitted disease এর হাত থেকেও বাঁচায়।
মহিলাদের মধ্যে বার্থ কন্ট্রোল পিলস সব থেকে জনপ্রিয়। নিয়মিত এই পিলস খেলে মহিলাদের ‘ovulation’ হয় না। মানে এই পিল ওভারি থেকে ডিম্বস্ফুটন হতে দেয় না। তাই প্রেগন্যান্ট হওয়ার সম্ভবনা থাকে না। শুধু তাই নয় নিয়মিত এই বড়ি খেলে পিরিয়ড সংক্রান্ত ব্যথা‚ ক্র্যাম্পস বা ব্লিডিং কন্ট্রোলে থাকে।
এই নরম‚ ফ্লেক্সিবেল ভ্যাজাইনাল রিং পিলস এর মতই ডিম্বস্ফুটন হতে দেয় না। এটা ভ্যাজাইনার মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। তবে এটার সুবিধা তিন সপ্তাহ অব্দি এটা রাখা যায়। পিরিয়ডসের আগে বের করে দেওয়া হয়।
এটি ডাক্তারের সাহায্যে মহিলাদের শরীরে লাগানো হয়। এটি ইউটেরাসে এমন সব হরমোন ছাড়তে সাহায্য করে যা স্পার্ম কে নষ্ট করে দেয়। এটা পাঁচ বছরের জন্য ব্যবহার করা যায়। শুধু তাই নয় এটা লাগালে পিরিয়ডসের সময়ও ‘হেভি ব্লিডিং‘কন্ট্রোলে থাকে।
এই ইনজেকশন বার্থ কন্ট্রোল পিলস এর মতই কাজ করে। আর এই ইনজেকশন একবার নিলে আপনি ১৫০ দিনের জন্য নিশ্চিন্ত
এখনি প্রেগন্যান্ট হতে চান না? তাহলে একটা Birth Control Patch হাতে লাগিয়ে নিন। এটা একবার লাগালে ৩ সপ্তাহ অব্দি ব্যবহার করা যায়। এই প্যাচ থেকে ফিমেইল হর্মোন আপনার ত্বকের ভেতর প্রবেশ করে আর এর ফলে আপনার ovulation হবে না।
You need to Sign in to view this feature
This address will be removed from this list